উৎসব পার্ক,যা রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় অবস্থিত। ২০১৪ সালে ব্যাক্তিগত উদ্যোগে প্রায় ৮০ বিঘা জায়গা নিয়ে পার্কটি স্থাপিত।
এখানে রয়েছে-
- নাগরদোলা
- ভাস্কর্য
- বসার বেঞ্চ
- ট্রেন
- দোলনা
- প্যাডেল বোট
- ঘূর্ণি
- লেক
- পিকনিক স্পট
উল্ল্যেখ্য, পার্কে প্রবেশমূল্য সহ হিডেন চার্জ প্রযোজ্য। পার্কটি প্রতিদিন সকাল ৮.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭.০০ টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
উৎসব পার্কে যেতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে রাজশাহী আসতে হবে।
রাজশাহী যেভাবে যাবেন-
বাস: ঢাকার বাস স্ট্যান্ড-
- গাবতলী
- আবদুল্লাহপুর
- মহাখালী
- কল্যাণপুর
বাসসমূহ–
- গ্রীন লাইন
- ন্যাশনাল ট্রাভেল
- হানিফ
- একতা
- দেশ ট্রাভেল
ট্রেনসমূহঃ
কমলাপুর বা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত ট্রেনসমূহ-
- সিল্কসিটি
- ধুমকেতু
- বনলতা
- পদ্মা এক্সপ্রেস
বিমানসমুহঃ
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রাজশাহী যাওয়ার ফ্লাইটসমূহ-
- বাংলাদেশ বিমান
- ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স
- নভোএয়ার
রাজশাহী থেকে উৎসব পার্ক
রাজশাহী শহরের যেকোনো জায়গা থেকে বাসে কিংবা অটোরিকশা/রিকশা রিজার্ভ এর মাধ্যমে উৎসব পার্ক যেতে পারবেন।
থাকা ও খাওয়ার জন্য রাজশাহীতে সবরকম ব্যবস্থা রয়েছে।
রাজশাহীর রিসোর্টসমূহ–
- পর্যটন কর্পোরেশন মোটেল
- মুক্তা ইন্টারন্যাশনাল
- হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল
- হোটেল স্টার ইন্টারন্যাশনাল
উক্ত রিসোর্টসমূহের নাম দিয়ে ইন্টারনেটে সার্চ দিলে বুকিং জনিত সকল তথ্য পেয়ে যাবেন।
রাজশাহীর হোটেলসমূহ-
শহরের যেকোনো জায়গায় কিংবা রিসোর্টের আশেপাশে অনেক খাবার হোটেল পাবেন।
রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানা ভ্রমণের সুবিধা হল–
- উন্নত ভ্রমণ সুবিধা
- পরিবার/দম্পতি বা বন্ধুদের সাথে উপযুক্ত সময় কাটানো
- সুন্দর এবং মনোরম প্রকৃতি
সতর্কতা–
প্রথমত, গাড়ি বা নৌকা ভ্রমণ, হোটেল বুকিং, খাবার কিংবা কোন কিছু কেনার পূর্বে দর কষাকষি করতে একদম সতর্ক থাকবেন। এছাড়াও-
- প্রয়োজনে ছাতা বা রেইনকোট নিন
- সাঁতার না জানলে গভীর পানিতে নামবেন না
- স্থানীয় গাইডের সাহায্যে পুরো অঞ্চল সুন্দরভাবে ঘুরতে পারবেন
- পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কিছু এড়িয়ে চলুন
বি.দ্রঃ যেকোনো সমস্যায়, বাংলাদেশের জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল করুন।

